রাজশাহীর এক মিষ্টি মেয়ে
রাজশাহীর এক মিষ্টি মেয়ে
------সাগর-------
ফলের নগরী শান্তির নগরী মতিহারের সবুজ কন্যা রাজশাহী। রাজশাহীর আম্রছায়ায়
নিদাগের তপ্তদাহে জীবন-পান্থশালার এই শ্রান্ত পথিক আলেয়ার ঘোরে একদিন স্বপ্নের জাল
বুনেছিলাম। হৃদয়ক্ষরিত করুণ রসে সিক্ত সে ব্যথার স্মৃতিমালা আজও মনের গহীনে
বিরহিণী ডাহুকের মত ডুকরে কাঁদে।
জন্মদিন
আজ সুমীর মনটা বেশ ফুরফুরে। ভোর থেকে ঘরের আসবাবপত্রাদি সাজানোসহ সব কাজ একাই
নিজে গুছাচ্ছে। এরই মধ্যে কয়েকজন বান্ধবীর সাথে মুটোফোনে কথাও হয়ে গেছে। মা একটু
অসুস্থ। তিনি বিছানায় শুয়ে শুয়ে সবকিছুর খোঁজখবর নিচ্ছেন-
- সুমী, সাগরের
সাথে কথা হয়েছে? ও
কি জানে আজকে যে তোর…?
- বলিনি মা। ও থাকলে আজকে আরো মজা হতো।
- তো এখনই ফোন দাও। পরে জানলে সাগর রাগ করবে না?
- না,
থাক। এখন বলে কী লাভ। ভাইয়া কখনো রাগ করে না মা। এমন
ফেরেশতাতূল্য পুরুষ মানুষ আমি জীবনে কখনো দেখিনি। আচ্ছা মা,
বলতো এমন ভালো মানুষকে কি বিয়ে করা যায়?
-কেনরে মা, বিয়ে
তো ভালো মানুষকেই করতে হয়। সাগরের মত এমন যোগ্য ও ভালো ছেলে কয়জন আছে?
এটাতো আমাদের কপাল।
- খুব ভালো মানুষগুলোকে আমার কেন জানি ভয় লাগে মা।
আজ সুমীর জন্মদিন। নিতান্ত ঘরোয়া আয়োজন। আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দের তালিকায় সুদূর
ওপ্রান্ত থেকে আমিও। তবে আমার পরিবর্তে কোরিয়ারযোগে খামে চড়ে পার্টিতে অংশ নেবে
আমার বারো লাইনের ছোট্ট একটি ছড়া-
“রাজশাহীর এক মিষ্টি মেয়ে
মিষ্টি যেন মধুর
চেয়ে
রূপে গুণে সবার সেরা
শুনলে যাবে লজ্জা
পেয়ে…”
কেন জানি সেদিন এই ছন্দময় সুখপাঠ্য ছড়াটি ষোড়শী মৌসুমীর জীবনখাতায় শ্রেষ্ঠ
উপহারে পরিণত হয়েছিল।
জোসনাসন্ধ্যা
সন্ধ্যার আবছা আলোয় সুমিদের উঠোনে পাশাপাশি আমরা দু’জন। বৃক্ষরাজিবেষ্টিত ছায়াঘেরা ছোট্ট উঠোনখানা বেশ পরিপাটি
ও মনোমুগ্ধকর। মাঝেমাঝে গাছগাছালির ঘন পত্রপল্লবের ফাঁক গলিয়ে রূপোলি জোছনার
আলোকচ্ছটা ঠিকরে পড়ছে সুমির দু’গালে। সন্ধ্যার ঝিরঝির শান্ত হাওয়ায় হাসহেনার মৃদু সুবাস,
পাশের ঝোপে ঝিঁঝিঁ ডাক আর কালো আঁধারের বুক চিরে জোনাকির মিটমিট
আলোয় এক কাব্যিক আবেশ। এর আগে কোনোদিন সুমির সাথে সামনাসামনি বসার সুযোগ হয়নি।
আন্টিতো দিনভর রকমারি রান্নার এলাহি আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত। আজ দু’জন দু’জনকে কাছ থেকে দেখার, পরস্পরকে একান্তভাবে জানার ও হৃদয়তাড়িত অস্ফুট কথামালা
বিনিময়ের অপূর্ব ক্ষণ। দূর দ্বীপবাসিনী কল্পনার সুমি আজ আমার পাশ ঘেঁষে। ছবির
সুমির চেয়ে বাস্তবের সুমি অনেক বেশি সুমিষ্ট, অনেক বেশি সুন্দর, আরো প্রেমময়, আরো মায়াবতী এক কথায় অদ্বিতীয়া স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা।
আমাদের পরিচয় যেন হাজার বছরের ইতিহাস।
কিশোরী সুমি জীবনবাস্তবতা, জীবনের রুক্ষতা, ভবিষ্যৎ জীবন ও দাম্পত্য জীবনের তেমন কিছু বুঝে না। ওর আছে শুধু মনভরা
কৌতূহল, মাকে
নিয়ে দিন যাপনের গল্প, অদ্ভূত কিছু শিশুশখ আর নিজ জীবনের একগাদা কান্নাহাসির স্মৃতিকথা। এখনো বাচ্চা
ছেলের মত সারাদিন টিবিতে কার্টুন ছবি দেখে মজা পায় আর রাতে মায়ের বুক জড়িয়ে ঘুমায়।
সুমির কিশোরীসূলভ প্রশ্ন:
-আপনার গার্লফ্রেন্ড কয়জন আছে ভাইয়া? তাদের নাম কি কি?
আমি অসহায়ের মত বললাম,
‘না,
আমার তো কোন গার্লফ্রেন্ড নেই।’
- আছে, আমার
কাছে ধরা পড়ার আগেই বলে ফেলুন।
-যদি গার্লফ্রেন্ড থাকে তাহলে এত পথ পাড়ি দিয়ে তোমার কাছে আসলাম কোন দু:খে?
-একজনও নেই? কোনোদিন
প্রেম করেননি?
-না,
কেউ আমাকে ভালোবাসেনি…, শুধু তুমি ছাড়া।
- কী? তাহলে আমিও না।
একটু পর গম্ভীরভাবে জিজ্ঞেস করলো – ‘আপনি কি আমাকে ভালোবাসেন?’
আমি প্রসঙ্গ এড়িয়ে বললাম,
‘আচ্ছা,
এতদিন ফোনে যে রাজশাহীর পদ্মার ইলিশের লোভ দেখিয়েছিলে,
এখন কই সেই সুস্বাদু পদ্মার ইলিশ?’
সুমি অভিমান ও মমতা মেশানো কণ্ঠে বলল:
-ভাইয়া, এখনো
পাননি আপনার পদ্মার ইলিশ?
-কোথায়? রান্না
হচ্ছে?
-এই যে আপনার সামনে দাঁড়িয়ে আছে পদ্মার জীবন্ত ইলিশ। আর কী চান,
বলুন।
- ও আচ্ছা, হেরে
গেলাম।
-তাহলে রাজশাহী এলে আমাকে আলুর পরোটা বানিয়ে খাওয়াবে বলেছিলে?
-হুম,
মনে আছে, আমি নিজ হাতে আপনার জন্য স্পেশাল আলুর পরোটা বানাবো। তবে সব
একদিনে খেয়ে ফেললে রাজশাহীর কথা তাড়াতাড়ি ভুলে যাবেন।
পদ্মা হানিমুন
মেঘেঢাকা ঝরঝর শ্রাবণি বিকেল। সুমিকে নিয়ে বেরুলাম। গতরাত থেকে ওর শরীরে
প্রচণ্ড জ্বর। রাজশাহী শহরের পাদদেশ দিয়ে ক্ষয়েক্ষয়ে বয়ে যাওয়া প্রমত্তা পদ্মার
ভাঙ্গাতীরে পাশাপাশি দু’জন। বর্ণিল পদ্মাপার্কে আজ আমাদের প্রথম হানিমুন। বর্ষণমুখর শ্রাবণের
রোমান্টিক পদ্মাপাড়ে আজ প্রতিকূল প্রকৃতির বিরূপ চেহারা। শুরু হল আচমকা ঝড় আর
তারপর ভারি বর্ষণ। দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে চাইলাম। কিন্তু সুমি যেতে দিলো
না। আমাদের একলা রেখে মুহূর্তের মধ্যে পুরো পদ্মাপার্ক জনশূন্য হয়ে গেলো। ছোট একটি ছাতার নিচে পাশাপাশি দু’জন আরো কাছাকাছি ও ঘেঁষাঘেঁষি করে বসলাম। চেষ্টা করলাম
বৃষ্টিরূপ প্রকৃতির অঝর কান্নাশ্রু থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করতে। পদ্মায় ঢল নেমেছে।
ওপারে দূর্বাঘাস ঝড়ের হাওয়ায় দুলছে। বৃষ্টি ক্রমে বাড়তে থাকলো। কেউ কারো কথা শোনতে
পাচ্ছিলাম না। দূর থেকে হয়ত কেউ চিৎকার
করে বলছে ঐ পাগলা জুটিকে কেউ নিয়ে আসেন।
বর্ষার তুমুল বর্ষণে সিক্ত হতে পেরে সুমির মনপ্রাণজুড়ে আনন্দ হিল্লোল। ভিজে
দু’জন একেবারে জবুথবু হয়ে গেলাম। কিন্তু আমাদের হৃদয়ের উষ্ণতা
প্রকৃতির সিক্ততাকে হার মানিয়েছিল। জ্বরের প্রকোপের মধ্যে সুমি প্রবল মনোবল নিয়ে
বলল:
-এবার চলি শিমলা পার্কে। কি, যাবেন?
আমি বললাম, ‘এ
অবস্থায় আর কোথায় যাবো? দু’জনেইতো একদম কাকভেজা।’
সুমি বলল, ‘আরে
না,
আপনাকে এখানে কেউ চেনেন না, আমাকেও না।’
পদ্মাপাড়ের সরু মেটো পথ ধরে পশ্চিমদিকে হাঁটতে থাকলাম দু’পাগল। মনে পড়লো শৈশব-কৈশোরের দুর্দান্ত দিনগুলোর কথা।
শ্রাবণের ঘোর বর্ষায় দল বেঁধে বৃষ্টিতে ভেজার স্মৃতি। ভারি বৃষ্টির কারণে আজ শিমলা
পার্কও জনশূন্য প্রায়। নিঝুম গাছগাছালি আর পাখপাখালিতে মুখরিত সদ্য বৃষ্টিস্নাত
শিমলা পার্কে আমরা বসলাম, হাঁটলাম, গল্প
করলাম আর অনাগত জীবনের স্বপ্নিল সুধায় দু’জন আকণ্ঠ ঢুবলাম।
সন্ধ্যার আঁধার ঘনিয়ে আসছে আর বাড়ি থেকে আন্টি বারবার ফোনে জানতে চাচ্ছেন
সুমির জ্বরের কী অবস্থা।
আন্টি হাসপাতালে
খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠে সুনির্মল প্রাকৃতিক হাওয়ায় হাঁটতে রেরুলাম। তখনো
চারদিকে বেশ অন্ধকার। ছোটবনগ্রামের পূর্বপাশে নতুন বিমানবন্দর সড়কের দু’ধারে সারিসারি আমবাগান। সিরোইলের সবুজ গ্রামের পথে প্রভাতের
ঝিরঝির মৃদু হাওয়ায় বেশ ভালোই লাগছিল। হঠাৎ সুমির ফোন বেজে উঠল:
-ভাইয়া, আপনি
কোথায়?
মা রাতে স্ট্রোক করেছেন। আমরা মাকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি।
আপনি তাড়াতাড়ি চলে আসেন।
আমি অবাক হলাম। কারণ একই বাড়িতে রাতে আমিও ছিলাম। অথচ আমাকে কেউ বলালো না!
-কী বলছো সুমি? রাতে আমাকে জাগাওনি কেন?
-না,
মিনি স্ট্রোক তো তাই। আগেও এরকম ক’বার হয়েছিল। দু’একদিন হাসপাতালে থাকলে ভালো হয়ে যান। মা কে রাতে আমরা
দেখাশোনা করেছি। সকালে গিয়ে দেখি আপনি বিছানায় নেই। যাক,
আপনি দ্রুত নওদাপাড়া ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চলে
আসেন।
বিকেলের দিকে আন্টির হুঁশ ফিরলো। তিনি শুধু সুমি আর সাগরকে খুঁজছেন। বললাম,
আমরা দু’জনই পাশে আছি। এদিকে সুমির রূপ,
গুণ ও সহজাত বুদ্ধির দীপ্তি দেখে হাসপাতালের ডাক্তার-নার্স-কর্মচারী
সবাই বিমুগ্ধ। আন্টি সবার কাছে পরিচয়
করিয়ে দিলেন, সাগর
আমার ছেলে আর সুমি আমার মেয়ে। কিন্তু পুরো হাসপাতালময় ছড়িয়ে পড়লো আমরা দু’জন হবু দম্পতি। তাই সবার কানাঘুষা আমাদেরকে নিয়ে,
সবার উঁকিঝুঁকি আমাদের দিকে।
আমি সারাক্ষণ শিয়রের পাশে বসে চরম কৌতূহল নিয়ে আন্টির মুখে সুমিজীবনের অজানা
গল্প শুনে যচ্ছিলাম। ডাক্তার ও নার্সরা রোগীর সাথে কথা বলতে বারবার বারণ করছেন আর
আমাদেরকে বাইরে চলে আসতে অনুরোধ করছেন। কিন্তু আন্টি পাশ থেকে আমাকে ছাড়ছেন না।
বিছানায় শুয়ে শুয়ে শুধু আবেগজড়িত কণ্ঠে নিজেদের যতসব না বলা কথা বলেই চলেছেন আর
এভাবে স্বস্তির নি:শ্বাস নিতে নিতে ক্রমে সুস্থ হয়ে উঠছেন। একটানা তিনরাত চারদিন
আন্টির সাথে হাসপাতালের বেডে সঙ্গ দিলাম। সুমির শৈশব কৈশোরসহ বর্তমান কাহিনীর
কিছুই বাকী রাখলেন না। যে ক’জন যুবক সুমির প্রেমে পাগলপারা হয়ে জীবনবাজি রেখে সুমিকে
পাওয়ার মহাপ্রতিযোগীতায় নেমেছে তাদের কাহিনি শোনালেন সবিস্তারে। যে পরিবারগুলো
অপরূপা যোড়ষী সুমিকে পুত্রবধূ বানাতে মরিয়া হয়ে এখনো বিফল মনোরথ হয়ে হাল ছেড়ে
দেয়নি তাদের বৃত্তান্তও বাদ দিলেন না।
চতুর্থ দিনে আন্টিকে প্রায় সুস্থাবস্থায় হাসপাতালের বেডে রেখে বিদায় নিলাম।
আমাকে এগিয়ে দিতে সুমি অনেক দূর আসলো। এর আগেও বহুবার সুমি আমাকে যাবার বেলায়
অশ্রুসজল নয়নে বিদায় দিয়েছিল। আজ সুমির চোখে পানি নেই কিন্তু বিষাদ মলিন মায়াবী দু’চোখ আর অর্থবোধক চাহনি অনেক কথাই নীরবে বলে দেয়। বারবার
পেছনে ফিরে দেখি সুমি শুধুই তাকিয়ে আছে আমি অদৃশ্য না হয়ে যাই পর্যন্ত।
মধুযামিনী
বোশেখের নিশীথ রাত। কী একটা দু:স্বপ্নে মাঝরাতে আন্টির ঘুম ভেঙ্গে যায়। জেগে
দেখেন পাশে সুমি নেই! হয়ত বাথরুমে গেছে কিংবা বারান্দায়। না,
কোথাও নেই। এত রাতে মেয়েটা যাবে কোথায়! বুকটা মুছড়িয়ে উঠে।
মনে পড়েছে, অনেক দিন পর আজ সাগর এসেছে। গেস্ট রুমে ঘুমিয়েছে। সোজা গিয়ে দেখেন দরজা খোলা,
হালকা আলোর ডিম লাইট জ্বলছে। দু’জনের কথার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। আন্টি এগিয়ে এসে একবার দেখে
নিয়ে আবার নিজ ঘরে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।
আমি খাটে শুয়ে আর পাশের সোফায় সুমি অর্ধশায়িত। সুমির মুখে তার জীবন কাহিনীর
অশ্রুসিক্ত বর্ণনা শোনে আমি নির্বাক নির্বিকার। ‘ভাইয়া, আপনি আমাকে বিয়ে করলে জীবনে সুখ পাবেন না,
ভাইয়া আপনি অনেক কষ্ট পাবেন।’ ব্যথিত মনে আবেগের ঘোরে সে বলেই চলেছে তার এ ক্ষুদ্র জীবনে
অতীত বর্তমান দু:খবেদনার সাতকাহন। কখন কোন্ ছেলে পথ আগলেছিলো,
কখন বাথরুমে গোসল করার সময় জানালা দিয়ে একটা কাক উঁকি
দিয়েছিল থেকে শুরু করে কোন পুরুষটাকে জীবনে কোনোদিন ক্ষমা করতে পারবে না…ইত্যাদি ইত্যাদি।
সাগর কি পারবে তার অসীম শীতল বারিরাশি ঢেলে দিয়ে সুমির তপ্ত হৃদয়ের জ্বলন্ত
অঙ্গার প্রশমিত করতে! সাগরের সেই সুদূরিকা
সুমিতো আজ অনেক কাছের অনেক পাশের। সুমির অস্ফুট হৃদয়ের কাকলি আজ সাগরের বুকে
উন্মোচিত। সুমির নাতিদীর্ঘ এটুকুন জীবনে বিষাদসিন্দুর কাহিনি আজ যেন শেষই হতে চায়
না।
‘ওগো, এই রাত কভু যদি শেষ না হতো।’
সুমি আজ রাতের অর্ধেকটাই জীবনযন্ত্রণার স্মৃতিমালা বর্ণনা করে চলেছে আর
ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। কাঁদুক আরো কাঁদুক। হৃদয় উজাড় করা ক্রন্দন এক প্রকার
মেডিসিন। কাঁদলে মনের গহীনে লুকিয়ে থাকা পুঞ্জীভূত ব্যথাগুলো বরফের মতো গলে গিয়ে যন্ত্রণার প্রকোপ
হালকা করে দেয়। একবার মন চায় আহারে বেচারি সুমির চোখগুলো একটু মুছে দিই। না,
থাক।
“অস্পর্শা সুমি চিরঅস্পর্শাই থাক।”

স্মৃতি সব সময় মধুরই হয়
উত্তরমুছুন